সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, নমুনা ও কৌশল ২০২৩

প্রতিবেদন লেখার নিয়ম: বর্তমান সময়ে প্রতিবেদন একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। যার মাধ্যমে সহজেই কোন বিষয় মানুষের সামনে ফুটিয়ে তুলা যায়। তাই আমাদের এই পোস্টে আপনাকে জানাব সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম সম্পর্কে।

বর্তমানে আমরা যারা শিক্ষিত সমাজে বসবাস করি, সকলের উচিত সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখা। আমাদের মাঝে অনেক লোক আছে যারা সহজে কিভাবে প্রতিবেদন লিখতে হয় সেই বিষয়ে জানে না।

তাই চিন্তার কোন কারণ নাই। আমি আজ এই আর্টিকেলে আপনাকে জানিয়ে দেব সহজ ভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম সমূহ। তবে, আপনি উক্ত বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতে নিচে দেওয়া লেখা গুলো সম্পুর্ণ অনুসরণ করতে হবে।

তো চলুন প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা যাক।

প্রতিবেদন এর বিষয়ে জানতে চাইলে আপনাকে শুরুতে জেনে নিতে হবে প্রতিবেদন আসলে কি।

সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২২
সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩

প্রতিবেদন কি?

আমরা জানি প্রতিবেদন শব্দটি দুই ভাবে গঠিত। যেমন- প্রতি+বেদন : প্রতিবেদন। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায় প্রতিটি উপসর্গ যোগে বেদন হচ্ছে প্রতিবেদন।

বেদন কথাটি আক্ষরিক অর্থে জ্ঞাপন। তাবে, প্রতিবেদন হলো কারো প্রতি কিছু জ্ঞাপন। কিন্তু এর আসল সংজ্ঞা হলো একটু অন্য রকম।

প্রতিবেদন হচ্ছে একটি বিশেষ নথি। যা একজন নির্দিষ্ট পাঠক এর জন্য সংগঠিত বিন্যাসে তথ্য উপস্থাপন করে থাকে।

অনেক সময় প্রতিবেদন মৌখিক ভাবে প্রতিবেদন প্রদান করা হয়। কিন্তু প্রতিবেদন এর বেশির ভাগ অংশ লিখিত আকারে হয়ে থাকে।

যেমন- আমরা বর্তমানে যে সকল পত্রিকা অনলাইনে এবং খবরের কাগজ পড়ি সেই গুলো প্রত্যেকটি হচ্ছে প্রতিবেদন।

আপনি যদি উক্ত বিষয়টি অনুসরণ করে থাকেন। তাহলে প্রতিবেদন আসলে কি এটি বুঝতে পারছেন।

আরো পড়ুনঃ

প্রতিবেদন কত প্রকার ?

উক্ত আলোচনাতে প্রতিবেদন কি এই সম্পর্কে জানতে পারলেন। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, প্রতিবেদন আসলে কত প্রকার এর হয়ে থাকে।

তো চলুন এই বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

প্রতিবেদন হলো তিন প্রকার যেমন-

  1. সংবাদ প্রতিবেদন
  2. প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন।
  3. সম্পাদকীয় প্রতিবেদন।

সংবাদ প্রতিবেদন

বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশ করার জন্যে যে সকল প্রতিবেদন গুলো লেখা হয় সেগুলোকে সংবাদ প্রতিবেদন বলা হয়। তার জন্য প্রত্যেক সংবাদ পত্রের নিজস্ব প্রতিবেদন থাকে।

প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন

বিভিন্ন ধরণের প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী, কোন ঘটনা বা অবস্থা, অবকাঠামো ও মিটিং এর সিদ্ধান্ত ইত্যাদি যাচাই করে যে, তথ্য গুলো উপস্থাপন করা হয় তাকেই প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন বলে।

আরও পড়ুন:

সম্পাদকীয় প্রতিবেদন

আমরা যখন কোন সংগঠন, ক্লাব বা সংবাদ  পত্র প্রকাশনা ইত্যাদি’র সম্পাদক নিজের মতামত বা সিদ্ধান্ত প্রদিবেন এর আকারে প্রকাশ করি তখন তাকে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন বলা হয়।

উক্ত তিনটি প্রকার ছাড়া প্রতিবেদন এর আরো অনেক প্রকার রয়েছে যেমন-

  • আইনি প্রতিবেদন।
  • বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন।
  • হিসাবের প্রতিবেদন।
  • তদন্ত প্রতিবেদন।
  • পরিদর্শনের প্রতিবেদন।
  • বার্ষিক প্রতিবেদন।
  • পুলিশি প্রতিবেদন।
  • দোকানের প্রতিবেদন।
  • সামরিক প্রতিবেদন।
  • বইয়ের প্রতিবেদন।
  • ঋণের প্রতিবেদন।
  • খেলাধুলা সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
  • শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
  • আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন।
  • মূল্যয়ন প্রতিবেদন।
  • জনসংখ্যার প্রতিবেদন, ইত্যাদি।

প্রতিবেদন লেখার প্রয়োজনীয়তা কি?

বর্তমান সময়ে মানুষ এর দৈনন্দিন জীবনে প্রতিবেদনের চাহিদা অনেক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবেদন এর মাধ্যমে যে কোন কাজের বিষয় পরিকল্পনা গ্রহণ, সমন্বয়, নির্দেশনা ইত্যাদি কাজে প্রতিবেদন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ে আইনি কোন ঝামেলা, খেলা-ধুলা’র খবর ইত্যাদি প্রতিবেদন এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে থাকে বিভিন্ন পত্রিকায়।

বিভিন্ন ধরণের কোম্পানির ব্যবসা বাণিজ্য, প্রশাসনিক কাজে, আইন আদালতসহ অন্যন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবেদন লেখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর বিষয়ে বিভিন্ন লেখা প্রতিবেদন এর আকারে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

আও পড়ুন:

প্রতিবেদনের বৈশিষ্ট্য

বর্তমান সময়ে যে কোন প্রতিবেদন কে আদর্শ প্রতিবেদন বলা যায় না। কারণ প্রতিবেদন এর মধ্যে কয়েকটি আদর্শ না থাকলে সেটি আদর্শ প্রতিবেদন হিসেবে জায়গা দখল করতে পারে না।

তাই আদর্শ প্রতিবেদন লেখার বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো যেমন-

  • পরিকল্পিত রুপরেখা।
  • বস্তুনিষ্ট
  • সংগতিপূর্ণ উদ্দেশ্য।
  • সহজ বোধতা।
  • সংহত ভাষা।

পরিকল্পিত রুপরেখা

আদর্শ ভাবে একটি প্রবিদেন তৈরি করার জন্য চালচিত্র, রুপরেখা তৈরি করে নেওয়া হয়। এ গুলো যদি আপনি না করে থাকেন তাহলে প্রতিবেদন এর সৌন্দর্য পরিবেশনে ঘাটতি দেখা দেবে।

প্রতিবেদনটি কোন প্রকার হতে হবে, সেটি প্রথমে ভেবে নিতে হবে। কি কি শিরোনাম ব্যবহার করতে হবে, লেখার সময় কয়টি অংশ ব্যবহার করতে হবে, তারিখ ঠিক মতো দেওয়া হয়েছে কি না ইত্যাদি বিষয় গুলোর উপর নজর দিতে হবে।

মোট কথা হলো প্রতিবেদন এর কাঠামো কেন হবে সেটি ভেবে চিন্তে প্রতিবেদন লেখা উচিত সকলের। প্রতিটি অংশ যথাযথ ভাবে লিখতে পারলে যে কোন বিষয়ের প্রতিবেন সুন্দর হবে।

আরো পড়ুনঃ

বস্তুনিষ্ঠ

আদর্শ প্রতিবেদন লিখতে গেলে অবশ্যই বস্তুনিষ্ট হতে হবে। প্রতিবেদন এ খেয়াল রাখতে হবে প্রকৃত ঘটনা, সঠিক তথ্য, সহজ ভাষয় সম্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করতে হবে। যাতে সকল বয়সীয় মানুষ প্রতিবেদন পড়তে পারে।

সংগতিপূর্ণ উদ্দেশ্য

আদর্শ প্রতিবেদন লেখার পিছনে একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। তাই প্রতিবেদন কে এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যা মূল বা সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থেকে যাতে বিচ্যুত না হয়।

সহজবোধতা

একটি আদর্শ প্রতিবেদন এমন ভাবে সাজাতে হবে যাতে কল শ্রেণির মানুষ বুঝে বুঝে পড়তে পারে। তাই প্রতিবেদন লেখার সময় আপনাকে সহজ ভাষায়, সরল ও স্পষ্ট ভাবে প্রস্তুত করতে হবে।

সংহত ভাষা

সকল প্রতিবেদন লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যাতে সব সময় লেখার ভাষা সহজ ও সরল হয়। যদি প্রতিবেদন এর মূল বিষয় সুন্দর ও সহজ ভাবে প্রকাশ করতে পারাটা অনেক কঠিন কাজ।

আপনি অবশ্যই মনে রাখবেন, প্রতিবেদন লেখার সময় সেখানে অপ্রয়োজনীয় কোন তথ্য যুক্ত করা যাবে না। সব সময় যথাযথ সংহত ভাষায় প্রতিবেদন লিখতে হবে।

প্রতিবেদন এর বিভিন্ন অংশ

আমি এখন আপনাকে জানাতে যাচ্ছি- প্রতিবেদন এর বিভিন্ন অংশ গুলো নিয়ে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিবেদন এর বিভিন্ন অংশ সমূহ যেমন-

  • প্রারম্ভিক অংশ।
  • প্রধান অংশ।
  • পরিশিষ্ট অংশ।

প্রারম্ভিক অংশ

সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার জন্য প্রতিবেন এর প্রারম্ভিব অংশ প্রতিবেদন এর মূল শিরোনাম, প্রাপক এর নাম, ঠিকানা ও বিষয় সম্পর্কে সংক্ষ্তি আকারে লিখতে হবে।

প্রধান অংশ

প্রতিবেদন এর প্রধান অংশতে থাকবে মূল বিষয় সম্পর্কে ভূমিকা। মুল প্রতিদেন, উপসংহার ও সুপারিশ দেওয়া থাকবে।

পরিশিষ্ট অংশ

প্রতিবেদন এর পরিশিষ্ট এ থাকবে তথ্য নির্দেশ, বিবরণী, আনুসঙ্গিতা ও কমিটির তালিকা।

প্রতিবেদন লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত থাকলে উত্তম প্রতিবেদন প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। উক্ত পদ্ধতি গুলোর মধ্যে আছে প্রতিবেদন এর শ্রেণি, বৈশিষ্ট্য, আকার ও বিন্যাস।

আরো পড়ুনঃ

প্রতিবেদন লেখার নিয়ম

বর্তমান সময়ে আমরা প্রতিদিন খবর এর কাগেজ যে সকল প্রতিবেদন গুলো দেখে পড়ে থাকি। তার মধ্যে প্রথম শ্রেণির পত্রিকার প্রতিবেদন গুলোকে আদর্শ প্রতিদেন বলা হয়।

আপনি যদি উক্ত পত্রিকা গুলোর সংবাদ গুলো ভালো ভাবে পড়েন তবে বুঝতে পারবেন প্রতিবেদন লেখার উপায় সম্পর্কে।

তার জন্য আপনাকে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম গুলো ভাল করে পড়ে দেখতে হবে। এর মানে আপনাকে কয়েকটি নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে।

উক্ত নিয়ম গুলো কোন ধরাবাধা নিয়ম নয়। মাত্র কয়েকটি কৌশল অবলম্বন করে আপনি সুন্দর ভাবে প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন।

সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে নিচের কিছু তথ্য অনুসরণ করুন।

হেডলাইন বা নামকরণ করা

প্রতিটি প্রতিবেদনে অবশ্যই একটি হেডলাইন বা নামকরণ করতে হবে। এটি হতে হবে আকর্ষণীয় যাতে সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

হেডলাইন সুন্দর হলে পাঠক’রা সম্পুর্ণ প্রতিবেদন পড়ে আগ্রহী থাকবে। কিন্তু সাধারণ হেডলাইন প্রতিবেদনে তেম ভাবে সমাদর করতে পারে না।

এরকম ভাবে হেডলাইন দিতে হবে যাতে প্রতিপাদ্যটি সরাসরি জানা যায়। প্রতিবেদন লেখার হেডলাইনের উদাহরণ হলো-

  • বিদেশি রমণী বাংলাদেশে এসেই মৃত্যূ
  • বন্যা কবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে এলো সরকার
  • সড়ক দুর্ঘটনায় আহত 5 জন ও নিহত 1 জন।

প্রতিবেদকের পরিচিতি ও স্থান

একটি সংবাদ পত্রে প্রতিবেদন এর হেডলাইন লেখার পর মূল লেখার শুরুতে প্রতিবেদক এর নাম, পরিচয়, স্থান এবং তারিখ লিখতে হবে।

উক্ত বিষয় গুলো কমা, চিহ্ন এর মাধ্যমে পৃথম করা হয়। যেমন- নিজস্ব সংবাদদাতা, ১লা জানুয়ারী 2023, শেরপুর।

সূচনা

প্রতিবেদন এর সূচনা হতে হবে অতি:সংক্ষিপ্ত। প্রতিবেদন এর প্রথম দুটি বাক্যের মধ্যে বিষয় এর সংক্ষিপ্ত পরিয়চয় দিলে ভালো হবে। উক্ত দুইটি বাক্যের মধ্যে সূচনার দৈর্ঘ্য সীমাবদ্ধ হবে।

এক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখবেন সূচনার অংশটি আলাদা অনুচ্ছেদে না লিখে মূল প্রতিবেদন এর সাথে লিখতে হবে তাহলে অনেক সুন্দর হবে।

মূল প্রতিবেদন

সংবাদ পত্রের প্রতিবেদন এর ছোট অংশটি লেখা হয়ে সম্পুন্ন করলে মুল ঘটনার বিবরণ দিতে হবে অনেক সহজ ও সরল ভাষায়। প্রতিবেদন এর মধ্যে ভাষার মারপ্যাচ দেওয়া যাবে না।

এর কারণ সংবাদ পত্রে উক্ত কোন ধরণের প্রতিবেদন লেখা হয় সাধারণ পাঠকদের জন্যে। কারণ সংবাদ পাঠক বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ হতে পারে।

ঘটনার বিবরণ দেওয়া জন্য যে বিষয় গুলো লিখতে হবে

আপনি যে বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন লিখবেন সেই ঘটনার স্থান, কাল কখন কোথায় ঘটনাটি হয়েছিল সেটি উল্লেখ করতে হবে।

এছাড়া ঘটনার স্থানে আশে পাশে বিখ্যাত জায়গার নাম উল্লেখ করতে হবে। ঘটনার পিছনে যদি একাধিক কারণ থাকে থাকে তাহলে সেইও উল্লেখ করতে হবে।

ঘটনার ফলাফল/রেজাল্ট

উক্ত ঘটনার ফলাফল ভালো ও খারপ দুইটি হতে পারে। তার জন্য এই দুই প্রকার ফল নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করতে হবে।

তার জন্য আপনি বিশ্বাস যোগ্য কিছু তথ্যের প্রমাণ প্রস্তুত করে দিতে হবে। যার সাথে বাস্তবে কিছু মিল থাকা অত্যন্ত জরুরী। ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় মানুষদের মতামত নেওয়া অনেক জরুরী বিষয়।

অনেক কর্তা ব্যক্তি যেমন- স্থানীয় নেতা, পুলিশ, আইনজীবি ও স্থানীয় লোকজনের বক্তব্য নিতে হবে।

প্রতিবেদক কে নিজের মূল্যায়ন

উক্ত যে বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করবেন সেই প্রতিবেদন এর শেষ অংশে  সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু কথা নিজের মূল্যায়ন যোগ করে দিবেন। এবং মনে রাখবেন কখনও প্রতিবেদন এর মতামত পাঠকদের উপর চাপিয়ে দিতে যাবেন না।

আপনার প্রতিবেদন এর মূল উদ্দেশ্য হবে প্রতিবেদন এর মাধ্যমে পাঠকদের নিজস্ব চিন্তা ভাবনা, মতামত যেন গড়ে তুলতে পারে।

আরো পড়ুনঃ

শেষ কথাঃ

তো বন্ধুরা, আামদের এই আর্টিকেল থেকে আপনি জানতে ও শিখতে পারলেন সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম সম্পর্কে।

সঠিকভাবে একটি আদর্শ প্রতিবেদনে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকে সেটি আমি আপনার সুবিধারণ জন্য বিস্তারিত উপস্থাপন করেছি। আশা করি উক্ত নিয়মে যে কোন বিষয়ে প্রতিবেদন লিখতে চাইলে আর কোন সমস্যা হবে না।

ট্যাগঃ পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, প্রতিবেদন লেখার নিয়ম pdf, ব্যক্তিগত প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, বিদ্যালয়ের প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, প্রতিবেদন লেখার নিয়ম বাংলা ২য়, বৃক্ষরোপণ প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, প্রতিবেদন লেখার নিয়ম এসএসসি, তদন্ত প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ও নমুনা,

সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩, সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩, সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩ সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩

সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩ সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩ সঠিকভাবে প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ২০২৩

আমাদের দেওয়া আর্টিকেল যদি আপনার কাছে ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট  করে জানাবেন। এবং ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।

আমাদের সাথে শেষ পর্যন্ত সময় দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top